মোঃ আলাউদ্দীন মজুমদার শাহীন,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)সংবাদদাতাঃ সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীতে কর্মরত বেকার যুবক-যুবতীদের মানবেতর জীবনযাপন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি উপজেলায় ৬ষ্ঠ পর্যায়ের ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীতে ৫ হাজার ৩৭ জন যুবক-যুবতীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ৫টি ধাপে বিভক্ত করে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিভিন্ন দপ্তরে যোগদান করানো হয়। অদ্যাবধি তারা দক্ষতার সাথে দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। মহামারী করোনার সংকটকালীন সময়েও তারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু সামান্য কর্মভাতা দিয়ে চলছে না তাদের জীবন গাড়ী। অনেকের আবার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে মাথায় বাজ পড়েছে। সরকারি চাকরির বয়েসও শেষ। তারা এখন কোথায় যাবে! কি করে খাবে। এনিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
বিশেষ করে প্রথম ব্যাচের ১ হাজার বেকার কর্মীর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। তাদের মেয়াদ ১৫ এপ্রিল ২০২০ ইং তারিখে শেষ হয়ে গেছে । বন্ধ হয়ে পড়েছে তাদের কর্ম ভাতা বিল। কিন্তু এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও আজও দেয়া হয়নি তাদের কর্তন করে রাখা জমানো ৪৮ হাজার টাকা। যার কারণে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে এই দক্ষ, শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা।
এব্যাপারে প্রথম ব্যাচের মেয়াদোত্তীর্ণ কর্মী কাশিরাম বলেন,আমরা কি করে খাই,আমাদের ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে,বেতন ভাতা ত নাই ,আমাদের জমানো টাকা টাও ত দিচ্ছে না। কর্মভাতা যা পাইছিলাম তা ত সাথে সাথে শেষ হয়ে গেছে।
উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার খাদেমুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, প্রত্যয়ন নেয়া বাকী আছে, প্রত্যয়ন নেয়া শেষ হলে টাকা সব দেয়া হবে। সব মিলে সুধী মহলের ধারণা সময় মত এসব শিক্ষিত ও দক্ষ বেকার যুবকদের সঠিক কাজে ব্যবহার করা না হলে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হবে।


