মো: আলাউদ্দীন মজুমদার শাহীন,সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ঘরে বসে বিদ্যুৎ বিল তৈরীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এতে করে যে অসামজ্ঞস্য বিদ্যুত বিল তৈরী হচ্ছে তাতে গ্রাহকের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে তেমন গোদের উপর বিষফোড়ার মত তা বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে খেটে খাওয়া গ্রামের সহজ সরল মানুষদের।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরেফিরে জানা গেছে, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতায়
সংযোগকৃত গ্রাহকদের প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। বিল সংগ্রাহকের দায়িত্বে থাকা লোকজন এলাকায় গিয়ে মিটার রিডিং না দেখে ঘরে বসেই বিল করেন। মনগড়া বিল সরবরাহ, বিল পরিশোধ করার পরও বিল যোগ না হওয়া, অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিল, ব্যবহারকৃত ইউনিটের গরমিল, বেশি বিল আসাসহ হাজারো হয়রানির শিকার হন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। ইউনিট অনুযায়ী বিদ্যুত বিলের সামজ্ঞস্য না রাখায় ও অতিরিক্ত বিল আসায় অভিযোগ জানানোর পরেও অনেকে প্রতিকার না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ অফিসের সমস্যার কোন শেষ নেই। দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন সংগঠন ও গ্রাহকদের মিছিল -মিটিং সভা-সমাবেশ ও পত্র-পত্রিকায় অনিয়মের খবর প্রকাশ করা হলেও কোন পরিবর্তন হয়নি তাদের। জেনেও না জানার ভান করে যাচ্ছে অফিসের লোক জন। ভূক্তভোগীরা সাধারণ স্বল্প আয়ের মানুষ ও বর্তমান করোনা পরিস্থিতে আরো সংকটে থাকায় অতিরিক্ত বিদ্যুত বিল তাদের জন্য হয়েছে বিষফোড়া।
রামজীবন ইউনিয়নের সূবর্ণদহ গ্রামের গ্রাহক মাইদুল মিয়া জানান, ‘বারবার অফিসে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোন সমাধান পাচ্ছি না। আমি ব্যবহার করছি যত ইউনিট তার দ্বিগুণ ইউনিট দেখিয়ে বিল করা হয়েছে।’
এব্যাপারে ডিজিএম মিলন কুমার কুন্ডুর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,‘ অনেক কর্মচারী কাজে ফাঁকি দিয়ে ঘরে বসে বিল প্রস্তুত করে থাকতে পরে যার কারনে এধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। গ্রাহক বেশি জনবল কম। জনবল বাড়ালে এমন সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব।”
ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে যে যাত্রা তা বেগবান করতে বিদ্যুত খাতের সমস্যাগুলো দূর করার দাবী বিশিষ্টজনের।


