জিয়াউল, আনোয়ার রাজশাহী ব্যুরো: বিশ্ব জুড়ে করোনা আতঙ্কের মধ্যেই রাজশাহী নগরীর আবাসিক হোটেল ও ভদ্রা পদ্মা আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়ি ও হোটেলে চলছে দেহ ব্যবসা।শনিবার (২৭ জুন) দুপুর বেলা ১২:৩০ মিনিটে সরে জমিনে গিয়ে জানা ও দেখা যায়, নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট বড় মসজিদের পশ্চিম পাশে প্রবাসী আবাসিক হোটেলে পতিতা রেখে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা।খদ্দের ও সমাগম ও বেশ ভালো।
হোটেল ম্যানেজার লিয়াকত ও হোটেল বয় আহাদ আলীর থেকে জানতে চাইলে তারা প্রতিবেদককে বলেন , আমাদের বিষয়ে বোয়ালিয়া থানা অবগত।আমাদের কোন সমস্যা নাই।নগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদের একেবারেই পাশে এই ধরেনের কর্মকান্ড চলায় ক্ষুদ্ধ অন্য ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন ঐতিহ্যবাহি বড় মসজিদের পাশে এই রকম অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধের জন্য বোয়ালিয়া থানার কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে দাবি করেন ব্যবসায়ীরা।
বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিবারন চন্দ্র বর্মণকে বিষয়টি জানালে তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমার জানা নাই। তবে আমি এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি। অন্যদিকে নগরীর চন্দ্রীমা থানাধিন ভদ্রার পদ্মা আবাসিক এলাকায় একাধিক বাসাবাড়ি ভাড়া নিয়ে চলছে দেহ ব্যবসা। এ নিয়ে গত প্রায় এক সপ্তাহ্ আগে ভদ্রা ৩ নং রোডের ১০নং বাড়িতে খদ্দেরসহ দেহ ব্যবসায়ীদের হাতে নাতে আটক করে স্থানীয়রা।পরে সেখানে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ওই নারীরা বলেন তালাইমারী ফাঁড়ী ইনচার্জ মাসুদ রানা আমাদের বিষয়ে জানেন। আমরা তাকে ম্যানেজ করে এই এলাকায় আছি ও ব্যবসা করছি তিনি আরও বলেন প্রশাসন ম্যানেজ না করলে এই ব্যবসা করা যায় না বলেও জানান,পতিতালয়ের ওই মহিলা।
পরে তারা এলাকাবাসীকে বলেন, বাসা ছেড়ে চলে যাবে,এই শর্তে স্থানীয়রা তাদের ছেড়ে দেন। বর্তমানে তারা এলাকা থেকে চলে গেছে। তবে আরও কয়েকটি বাড়িতে এই রকম অনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত আছে বলেও জানায় স্থানীয়রা।তালাইমারী ফাঁড়ি ইনচার্জ মাসুদ রানার নিকট জানতে চাইলে, তিনি বিরক্তিকর ভাব নিয়ে বলেন, করোনা চলাকানীন সময় আমরা অভিযান পরিচালনা করছিনা।


