আমি ধর্ষক, আমি পুরুষ
ধর্ষন করা আমার পেশা, নেশা।
কলিকালে অশুরের পেট কেটে আমি এসেছি
দিগ্বীজয়ের বেশে এই ধরায়
নারী, তোমায় ধর্ষন করার জন্য।
আমি রাজপথে, চিপায় দাঁড়িয়ে থাকি
শিস বাজাতে, তোমাকে বিব্রস্ত্র করে
আট্টহাসিতে ফেটে পড়তে।
আমি মায়ের পেট থেকে বের হয়েছি
বিভৎস, ঘৃনীত ধর্ষকরুপে
পুরুষাঙ্গের বাহাদুরী দেখাবার জন্য।
আমি লোলুপ দৃষ্টিতে তোমার নরম
মাংসের দিকে তাকিয়ে থাকি
আর জিহবায় লক- লক শব্দ করি।
আমি বিশ্বজয়ী সেঞ্চুরিয়ান ধর্ষক
আমি ভাগ্যবান পুরুষ।
আমাকে সেলিব্রেট করতে আসে
মহাভাগ্যবান মানব আর মানবী।
ওহে নারী! আমার থেকে তোমার রক্ষে নেই।
কোথায় গিয়ে পালাবে তুমি?
তোমার জন্ম ধর্ষীতা হয়ে বেঁচে থাকা।
ধর্ষক পুরুষের কামনার ধন তুমি,
সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র তুমি,
তুমি নষ্টা,কুলটা. তুমি পতিতা।
আর আমি, পুরুষ- মাহামানব, চরিত্রবান।
আমি বহুরুপী ধর্ষকের স্রষ্টা।
আমি তোমায় যেভাবে চাইব
তুমি আসবে।
না এলে তোমার তো রক্ষে নেই।
শতজনমের অভিশপ্ত মানবী তুমি
রাজপথে, মিছিলে, ঘরের আঙ্গিনায়
তুমি নারী, শুধুই নারী- ধর্ষনের নিয়ামক তুমি।
নারী! তোমাকে দেখলেই
বেড়ে যায় শিশ্নের জ্বালা।
আমি পুরষ, অমানুষরুপী এক মহাপুরষ।
তুমি কি করে বাঁচবে? –কোনদিকে পালাবে?
এত গর্ব নিয়ে আমি দিনের পর দিন
ধর্ষন করেছি, বিজয়োল্লাসে
বোন, ভগ্নী ,কন্যা স্বজনকে।
আমি প্রমান করেছি, আমি পুরষ
আমি বিজয়ী বীর।
আমি এখন মহাধর্ষকের অপদেবতা।
আমি গুরু, আমি ধর্ষকের মাস্টার।
আমায় ঘৃনা কর, হে নারী
তোমার মমতা পাবার যোগ্য নই আমি
আমি তোমার শত্রু।
তীব্র ঘৃনায় থুথু ছিটাও আমাকে মুখে
তোমার জুতার নোংরা তলা দিয়ে
আমাকে মানুষ বানাও।
আমার গলা কেটে উলুধ্বনি দাও
তোমার খড়গ,হস্ত লালে লাল হয়ে যাক
কলুষিত রক্তের প্লাবনে।
আর জয়গান কর
আমার পশুরুপী মস্তক উচিয়ে।
পুরুষ নয়, আমাকে মানুষ বানাও।
মিছিলে মিছিলে জানিয়ে দাও, হে নারী!
আমি তোমার স্বজন নই, ধর্ষক
আমি মানুষ নই, ঘৃনীত পুরষ।
আমায় ঘৃনা কর নারী ! তীব্র ঘৃনা!
তানজীব সারোয়ার শামীম।


