বঙ্গবন্ধু,
তুমি বাংলার রুপকার,
জীবন যৌবন দিয়ে বিসর্জন
সয়ে নির্মম নির্যাতন
গড়েছো ভিত্তি সোনার বাংলার
ত্যাগের সুদ্বীর্ঘ জীবনে ধ্যানে জ্ঞানে
এমনকি অবচেতনে
করেছো কল্যাণ এই বাঙালির,
অকল্যাণের সংজ্ঞাটিও তোমার ছিলো অজানা।
তুমি তো পিতা,
কোনো পিতাই সন্তানের অকল্যাণ করেনা।
বাঙালি তোমাকেই ভালোবাসতো
তোমার কথায় জীবনবাজি রাখতো।
সাত মার্চের শাশ্বত ভাষণে,
বাঙালি নেমেছিলো রনাঙ্গনে,
ছিনিয়ে এনেছিলো বিজয় জয়বাংলার স্লোগানে।
কোটি মানুষের ভীরে ছিলো কিছু মীরজাফর
ওদের রাজকীয় জীবনের পিছনে ছিলো
অসমান্য অবদান তোমার।
এতো অবদানের মর্ম ওরা বুঝেনিতো
থাকতো চেয়ে চাতক পাখির মতো
একটি সুযোগের অপেক্ষায়,
তোমার জীবন প্রদীপ নেভাতে এই বাংলায়।
মজিদ,মোশতাক,ডালিমের মতো কতেক কুলাঙ্গার
একেছিলো তোমার অমর প্রাণ নাশের নীল নকশা।
পাক পিশাচদের পৈশাচিক পরিকল্পনার চেয়েও
যা ছিলো ভীষণ ভয়ংকর,
এটা সেও বুঝেছে যার দৃষ্টি ছিলো আবছা।
পনেরো আগস্ট পঁচাত্তরে
তোমাকে ওরা শহিদ করলো সপরিবারে,
ছোট্ট রাসেলের মায়াভরা আকুতি ও
থামাতে পারেনি জালিমদের দুষ্কৃতি।
তুমিহীন এই বাংলায়
এক শয়তানের সহায়তায়,
পেয়েছিলো ওরা আমিরি জীবন
বাহির মুলুকে গড়েছিলো বিলাসী আবাসন।
সেও মরেছে নির্মমভাবে,
জাতি আফসোস করেনি।
শুধু বলেছে প্রায়শ্চিত্ত কাউকে ছাড়েনাওকেও ছাড়েনি।
কেটে গেলো সুদীর্ঘ বছর
ক্ষমতায় এলো স্বাধীনতাকামী দল
খুঁজে খুঁজে বের করলো গুপ্ত সব ঘাতক দালাল।
একেএকে ঝুলানো হলো ফাঁসির কাষ্ঠে
সর্বশেষ খুনি মাজেদ ঝুললো ফাঁসির দড়িতে।
জাতি আজ কলঙ্কমুক্ত,
তবে পুরোপুরি নয়
এখনো বাকি পাঁচ কুলাঙ্গার।ও
দের ফাঁসিতে পূর্ণ কলঙ্কমুক্ত হবে
আকাশ বাতাস এই বাংলার।
#আহমাদ বিন হাবিব 14/08/202004:30 (বিকাল)।
#ধরণ: কবিতা,#ছন্দ: গদ্য।


