নিজস্ব প্রতিবেদক
শেরপুরের মাননীয় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. হুমায়ুন কবীর শেরপুর জেলার জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে ইতোপূর্বে প্রদত্ব তাঁর প্রথম আদেশের ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় আদেশ (ছবিতে সংযুক্ত) মূলে শেরপুরের হতদরিদ্র বহ আদিবাসী মানুষের মধ্যে মামলায় জব্দকৃত খাদ্যদ্রব্য যথারীতি নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বন্টন করে করোনা মহামারির এই দুর্দিনে আর্তমানবতায় সেবায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
আইন অনুসারে সার্বিক বন্টন কার্য়ক্রম প্রত্যক্ষ করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য একজন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনানুগ দায়িত্ব প্রদান করা থাকলেও তিনি স্বয়ং পুরো কার্য়ক্রমের সুষ্ঠুতা তাঁর খাসকামরায় বসে পর্য়বেক্ষণ করেন। শেরপুরের চৌকস পুলিশ সুপার ও পুলিশ বিভাগও অত্যন্ত সুন্দরভাবে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করেছেন। এতে ছবিতে থাকা অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোর যেমন উপকার হলো, তেমনি খাবারগুলোও নষ্ট হলোনা (রাষ্ট্রের/সরকারের উপকার হল)। মানুষের কল্যাণে দেশের প্রায় সব জেলাইতেই হয়ত শেরপুরের মাননীয় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. হুমায়ুন কবীর মহোদয়ের মত কাজ করবার অবকাশ আছে। তাঁর আদেশটি (ছবিতে সংযুক্ত) মনযোগ দিয়ে দেখলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সকল জেলার বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দের এ সংক্রান্ত কাজ করতে সহায়ক হবে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও উপকারের/সেবার খাঁটি মানসিকতা নিয়ে কাজ করে সবার জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ স্থাপন করায় অশেষ ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ও স্যালুট মাননীয় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. হুমায়ুন কবীর মহোদয়কে। একই সঙ্গে অন্য জেলাগুলোতেও যাতে এভাবে মানুষকে ভালোবেসে সেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সকলে সচেষ্ট হন সেই আহবানও রাখছি।
শেরপুরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জাস্টিস অব দি পিস এস. এম. হুমায়ুন কবীরের আদেশ অনুসারে মামলায় জব্দকৃত ৯৯০কেজি চাল হতে ১০কেজি আলামত হিসাবে রেখে বাকি ৯৮০কেজি চাল শেরপুরের চৌকস পুলিশ সুপার ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থেকে গত ০৬/০৭/২০২০ইং ও ০৭/০৭/২০২০ ইং তারিখে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি এবং শ্রীবর্দী উপজেলার হত দরিদ্র মানুষের মাঝে সুষ্ঠুভাবে নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বিতরণ করেছেন।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, শেরপুরে ফেসবুক পেজ থেকে উপরের তথ্য গুলো নেওয়া হয়েছে।..


