পার্থ রায়
তব দানকৃত রক্ত মানুষের জীবন বাঁচাবে,
এর থেকে বড় পূন্য আর কি হতে পারে?
তোমার প্রয়োজনে প্রিয়জন অনেক হবে
বিপদ আপদের সঙ্গী তোমার অভাব না রবে।
হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কমে যাবে
হৃদরোগ ভয়ে দৌড়ে পালাবে,
বিনা খরচে হয়ে যাবে পরীক্ষা,
কমাবে হেপাটাইটিস বি কিংবা এইডস এর সম্ভাবনা।
পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে,
একজন মানুষের জীবন বাঁচালে
সমগ্র মানব জাতিকে বাঁচানোর সোয়াব পাবে।
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্বিগুণ হয়ে যাবে!
তবে কেন তুমি রক্তদান থেকে বিরত থাকবে?
১৮ থেকে ৫০ চলো করি রক্তদান
অবশ্যই হতে হবে সুস্থ -সবল দেহবান।
তোমার ওজন হতে হবে পঞ্চাশ এর বেশি,
একবার দান করলে পূনঃর্বার দান করতে হলে
সময় নিতে হবে চার মাসের বেশি।
শ্বাস কষ্ট হাপানি যদি থাকে দেহে!
রক্তবাহিত রোগ আরো থাকে সাথে।
তবে প্রয়োজন নেই রক্তদানের,
উদ্যোগী হয়ে সাথেই থেকো।
রক্তদানে ব্যাথা হয় না শরীর
শুধু সূচ ফুটানোয় একটু অস্বস্তির,
রক্তদানে তুমি হবে না অজ্ঞান
সুস্থ সবল দেহ তোমায় দেবে ভগবান।
রক্তদান, রক্তদান, সবাই মিলে করি রক্তদান!
জীবন বাঁচাই নিজেও বাঁচি সবাই হই স্বাস্থ্যবান।
পার্থ রায় ( দশম শ্রেনী),
আগৈলঝাড়া,বরিশাল।


