তাইমুম আলী আহাদ
কমন ল কে বলা হয় ব্রিটেনের Judge made law. বিচারকের সিদ্ধান্ত এবং কমন প্রথাসমূহ।যেটা আমাদের দেশেও প্রচলিত আছে;ব্রিটেনের প্রায় ২০০ বছরের শাসন আমলে ছিল ভারতবর্ষ। কিন্তু এখন ব্রিটেনের কোন কোর্টের সিদ্ধান্ত আমাদের উপর প্রযোজ্য নয়।কিন্তু সেইসময়ে ১৭৭০-১৯৪৭ পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতে পর্যায়ক্রমে বিচারিক সিদ্ধান্তের উপর তৈরী হওয়া ব্রিটিশ আইন সরাসরি এবং ঔপনিবেশিক আইনপ্রণয়ণের মাধ্যমে মোটামুটি সবই ভারতবর্ষে প্রয়োগ করা হয়েছে। বিচার পদ্ধতি, পুলিশ পদ্ধতি, অপরাধ আইন, দেওয়ানি আইন, চুক্তিগত আইন সহ মৌলিক আইন সমূহের সবকিছুই কমন ল এর উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন পর্যন্ত আইনগুলি সামন্য সংশোধিত বা বিশেষ আইন তৈরী হলেও ২৫০ বছরে আজও বহাল আছে। যদিও ভারত এমনকি পাকিস্তানেও যুগের প্রয়োজনে নতুন করে পরিমার্জন এবং পরিবর্তন করা হয়েছে মূল পদ্ধতিগত আইনগতগুলি।আবার ব্রিটেনের আইন ও বিচার পদ্ধতির দর্শন ও থিউরিকে বলা হয় common law legal system যেটা বাংলাদেশ সহ ৫৩ টি দেশে প্রচলিত আছে। তারা সবাই ব্রিটেনের কলোনি ছিল।আর statutory law হলো কোনো দেশের আইনসভা (parliament) কর্তৃক নির্দৃষ্ট পদ্ধতি তে পাশকৃত আইন। বাংলাদেশ সংবিধান অনুচ্ছেদ ৮০। অনুযায়ী,( Including Ordinance) অনুচ্ছেদ ৯৩। বর্তমানে যতো মূল আইন আইন হয় প্রায় সব Statutory Law.কমন ল এর দেশে হওয়ার ফলস্বরূপ বিচারকের (উচ্চ আদালত) সিদ্ধান্তসমূহকে ও আইন বলা যায় তবে তা মূল আইন কি না তা নিয়ে রয়েছে বিতর্ক।
লেখকঃ তাইমুম ইসলাম। শিক্ষার্থী, আইনবিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।


