মোঃ আলাউদ্দীন মজুমদার শাহীন,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতাঃ
সুন্দরগঞ্জে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস ও মঙ্গার মধ্যেও এনজিও সংস্থাগুলোর কিস্তি আদায় অব্যাহত রয়েছে।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ-খবর নিয়ে দেখা গেছে, মহামারী করোনা ভাইরাস ও মঙ্গা কবলিত উত্তর জনপদের এই উপজেলায় এনজিও সংস্থাগুলো বেশ দাপটের সাথে কিস্তি আদায় করে চলছে। আর এসব কিস্তি আদায়ে সংস্থার কর্মীরা বিভিন্ন কলাকৌশল ব্যবহার করে কিস্তির টাকা আদায় করছে। তারা ঘরোয়া ভাবে গ্রাহকদের বাড়ির আঙ্গিনায়, বাড়ির উঠানে ও গ্রামের মোড়ে বসে বেশ দাপটের সাথেই আদায় করছে কিস্তির টাকা। কৌশল হিসেবে গ্রাহকদের প্রলোভন দেখাচ্ছেন মোটা অংকের লোন দেয়ার। যার কারণে অনেক গ্রাহক সংসারের এটা সেটা নষ্ট করে বকেয়া কিস্তির টাকা পরিশোধ করে। কিন্তু তাদের দেয়া হচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত লোনের টাকা।
এব্যাপারে সূবর্ণদহ গ্রামের গ্রামীণ ব্যাংকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঋণ গ্রহীতা গ্রাহক জানান,অফিসার আমাকে ডাবল লোন দিতে চেয়ে বকেয়া কিস্তি শোধ করে নিয়ে এখন লোন দিতে টালবাহানা করছে।
গ্রাহক অজিমন বেগম বলেন, এখন আশিন কার্তিক মাস সবচেয়ে আকালী মঙ্গা দিন কিস্তি ত দূরের কথা পেটের ভাত যোগায় মুশকিল। অথচ অফিসারেরা কুত্তার মত মেজাজ দেখিয়ে কিস্তি আদায় করে। গ্রামীণ ব্যাংকের মাঠ কর্মী জাহাঙ্গীর আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আপনার যা করণীয় তাই করেন। আমি কিছু বলতে পারব না।
এনিয়ে ইউএনও কাজী লুতফুল হাসানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটা নির্দেশনা ছিল, তা যেহেতু পেরিয়ে গেছে। তবে কেউ কিস্তি দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে জুলুম করতে পারবে না।


