জিয়াউল/জনি
(রাজশাহী ব্যুরো):
বোয়ালিয়া মডেল থানা রাজশাহী’র সহায়তায় এসআই মতিন ও সংগীয় এএসআই রানা আহম্মেদ, এএসআই মোঃ নাজমুল হক, কং/১৪৯২ রনি আহম্মেদ সহ সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ৫..৪৫ ঘটিকায় রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানাধীন ছয়ঘাটি এলাকাস্থ জনৈক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪২) এর মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হ’তে বোয়ালিয়া মডেল থানার মামলা নং-৫৮, তাং-১৭/১০/২০২০ খ্রিঃ, ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড-এর সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ মুরাদ হোসেন (২৪), পিতা-মোঃ আফজাল হোসেন, মাতা-গোলাপী বেগম, সাং-চৌবাড়িয়া হোসেনপুর (জব্বার এর বাড়ীর পাশের্ব), থানা-মান্দা, জেলা-নওগঁাকে ও শিশু অপরাধী ১। মোঃ রাজু আহম্মেদ (১৭), পিতা-মোঃ মিজানুর রহমান, মাতা-মোসাঃ রোমিশা বেগম, সাং-চৌবাড়িয়া হোসেনপুর (জব্বার এর বাড়ীর পার্শ্বে থানা-মান্দা, জেলা- নওগাঁকে গ্রেফতার করেন এবং তাদের হেফাজত হ’তে কালো রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল, রেজিঃ নং-ল-১১-১০৭৭, চেসিস নং-গউ২উঐউঐততটঈঊ৫৪৪৪১, ইঞ্জিণং নং-উঐএইটঊ৩৪৬২৫, মূল্য অনুমান ১,৫০,০০০/-(এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা উদ্ধার করেন।
অত্র মামলার বাদী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (৩৮), পিতা-মোঃ শওকত আলী, সাং-পশ্চিম বুধপাড়া, থানা-মতিহার, মহানগর রাজশাহী গত ১৭/১০/২০২০ খ্রিঃ মামলার ঘটনাস্থল অত্র থানাধীন ভদ্রা মোড় অথিথি হোটেলের সামনে রেখে হোটেলে খেতে যান। রাত্রী ২০.২০ ঘটিকায় হোটেলের সামনে এসে দেখেন তার কালো কালারের পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল নাই। বাদী হোটেলের সিসি ক্যামেরায় দেখেন অজ্ঞাতনামা ০২ জন বিবাদীর মধ্যে একজন বিবাদী বাদীকে নজরদারী করছেন এবং অপর জন মোটর সাইকেলটি ঠেলে নিয়ে যাচ্ছেন। বাদীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপরোক্ত মামলাটি রুজু করা হয়েছে।
বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য ও সিটি টিভি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্যমে মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্ত আসামীদ্বয়কে সনাক্তপূর্বক গ্রেফতার ও চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।এসআই আঃ মতিন মামলাটি তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে।


