আব্দুম মুনিব, কুষ্টিয়া ঃ সরকার থেকে চালের নতুন দর নির্ধারণ করে দেয়ার পরও কুষ্টিয়ার খাজানগর মোকামে কেনাবেচা হয়েছে অন্য দিনের তুলনায় কম। অন্য সময় প্রতিদিন সেখানে গড়ে শতাধিকের ওপরে ট্রাক চাল যায় সেখানে মাত্র ৫০-৬০টি ট্রাক চাল নিয়ে ঢাকাসহ অন্যান্য বাজারে পাঠানো হয়েছে। তবে এ চাল আগের দামে বিক্রি করা হয়েছে। এদিকে চালের দাম কমানোর বিষয়টি মিলাররা স্বাগত জানালেও তারা নতুন করে অর্ডার নেয়ার বিষয়ে ভাবছে।
খাজানগর মোকামের মিল মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সরসার থেকে দর নির্ধারন করে দেয়ার পরও প্রথম দিন আগের অর্ডারের বেশ কিছু ট্রাক চাল ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব চাল নতুন দরে বিক্রি হয়নি। আগের দামে ছাড়া হয়েছে। নতুন করে মিল মালিকরা অর্ডারও নিচ্ছেন না অনেকে। বেশি দামে কেনা ধান থেকে চাল উৎপাদন করে সরকার নির্ধারিত দলে বিক্রি করলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা। তাই অনেক মিল আগের মত আর অর্ডার নিচ্ছে না। ফোর স্টার রাইস মিলের মালিক মফিজ উদ্দিন বলেন,‘ সরকারি দর আমরা মেনে নিয়েছি। তবে ধানের বাজারের বিষয়টিও দেখতে হবে। ধানের বাজার কমলে সেক্ষেত্রে মিল মালিকদের লোকসানের ভয় থাকবে না। আর এখন থেকে সরকারি নির্ধারিত রেটে এখানকার মিল মালিকরা চাল বিক্রি করবে।’
এদিকে চালের দর নির্ধারনের পরদিন থেকে দিনাজপুরসহ কয়েকটি মোকামে ধানের বাজার মণপ্রতি ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন মিল মালিকরা। এক্ষেত্রে অনেক মিল মালিক স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ধানের দাম কিছুটা কমায় মিলারদের আর লোকসানে পড়তে হবে বলেও মনে করছেন তারা।
দাদা রাইস মিলের অন্যতম সত্বাধিকারী ও চালকল মালিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন প্রধান বলেন,‘ সরকারের সাথে আমাদের মিটিংয়ের পর যে দর নির্ধারণ করা হয়েছে তাকে আমরা স্বাগত জানিয়েছি। এখন থেকে এ দরেই বিক্রি করা হবে। ধানের দাম মণপ্রতি ১০০ টাকা কমেছে আমরা খবর পেয়েছি। বাইরে থেকে নতুন করে অর্ডার কমেছে। যেসব পাইকারি ব্যবসায়ীরা মজুদ করেছেন তাদের স্টক শেষ হওয়ার পরে নতুন করে অর্ডার করবেন বলে মনে হচ্ছে। আর নতুন অর্ডার পেলে সরকারি দরে বিক্রি করা হবে।


