বিশেষ প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামে সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অসহায় মানুষকে বাড়ি করে দেয়ার নাম করে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গেছে। ছাতিয়ান ইউনিয়নের পরপর দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান এ অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বিকার করেন এবং মিথ্যা বানোয়াট বলে দাবি করেন। তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এ বিষয়ে কোনো অর্থ লেনদেন হয়নি। অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
আমাকে রাজনৈতিক সামাজিক ভাবে হেনস্থা করার জন্য মিথ্যাভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ প্রেক্ষাপটে জসিম উদ্দীন বিশ্বাস বলেন,আমার নামে মিথ্যা খবর প্রকাশের বিরুদ্ধে আমি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।
তবে ইতিমধ্যে কুষ্টিয়ার কিছু প্রিন্ট পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে।
এরই ধারাবাহিকতায় পরিবার গুলোর কাছে উপস্থিত হলে তারা জানান ছাতিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বাসের সাথে আমাদের কোন ধরনের আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিভিন্ন সংবাদ পত্রিকায় যেসকল নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভ্রান্ত কথা।
বিভিন্ন পত্রিকায় আবদুল মজিদকে জড়িয়ে বেশকিছু অর্থ লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করে তবে
প্রধান ভুক্তভোগী আব্দুল মজিদ (৬৫)এর বাড়ি উপস্থিত হলে আব্দুল মজিদ বলেন, আমি চেয়ারম্যান কে কোন টাকা দি নাই। আমার সাথে কোন টাকা লেনদেন হয় নাই। আমি কাউকে কোনো অভিযোগ ও করিনি।
দ্বিতীয় ভুক্তভোগী ইশরাক হক বলেন, আমি বাড়ি করার জন্য কারও সঙ্গে কোনো টাকার লেনদেন করিনি। আমিন চেয়ারম্যান কে কোন টাকা পয়সা দিইনি।
কামাল হোসেন বলেন, সরকারিভাবে বাড়ি বুঝে পেয়েছি। এতে কাউকে একটি টাকাও দিতে হয়নি। চেয়ারম্যানের সঙ্গে কোন টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি।
সালামের স্ত্রী বলেন, আমি সরকারিভাবে বাড়ি পেয়েছি চেয়ারম্যান কে কোন টাকা পয়সা দেয় নি এবং কোন আর্থিক লেনদেন কারো সঙ্গে হয়নি।
উল্লেখ্য প্রত্যেক ভুক্তভোগী উক্ত সংবাদের প্রতিবেদককে ভিডিও স্টেটমেন্টে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলছে রাজনৈতিক কোন দল থাকার কারণেই ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে একটি মহল ছাতিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বাসকে নানা কায়দায় ফাসানোর চেষ্টা করে চলছে।


