মোঃ আলাউদ্দীন মজুমদার শাহীন,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)সংবাদদাতাঃ
সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বর্তমান সরকারের জনগনের দোর গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ব্যাপক হারে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরেফিরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় বর্তমানে ক্লিনিকগুলোতে ব্যাপক হারে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিশেষ করে নারী,শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে। কারণ হিসেবে জানা যায়,দীর্ঘদিন হতে বর্ষা হওয়ায় অনেকের ডায়রিয়া, এলার্জি,পায়ের ও হাতের নখের কোণ বসে যাওয়া রোগী। বিশেষ করে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে জ্বর,সর্দি ও মাথা ব্যথার রোগীর সংখ্যাই বেশি। সেই সাথে গর্ভবতী মায়েদের সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু ক্লিনিকগুলোতে একজন মাত্র জনবল হওয়ায় ব্যবস্থা দিতে হিমসিম খেতে হয়। রোগীদের প্রেশার মাপা,ওজন মাপা,নাম অন্তর্ভুক্ত করা, ওষুধ দেয়া প্রভৃতি কাজ করতে হয়।
এই উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে মোট ৬১টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। রামজীবন ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের রোগী সাজেদা বেগম বলেন, সরকার ক্লিনিক দিয়ে আমাদের যে সুযোগ দিছে তাতে হামরা মহা খুশি। যেমন তেমনে আর ডাক্তারের কাছে যাওয়া লাগেনা। ওষধ কিনতে টাকাও লাগেনা। বাড়ি থাকি পা বাড়ালেই ক্লিনিকে ওষুধ পাই।নিজপাড়া ক্লিনিকের সিএইচসিপি আয়তুন্নাহার লিপি এ প্রতিনিধিকে জানান,আমাদের একটি করে কিটস বক্স দেয়া হয়। তাতে করে রোগীর চাহিদা অনুযায়ী ওষুধের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। তাছাড়া একায় সামলানো খুব কঠিন। আরেকজন লোক হলে ভাল হত। সব মিলে দেখা যাচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দিনেদিনে রোগীদের ব্যাপক সাড়ার মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।


