আহম্মেদ কাওসার (ইবু) পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলার পুর্ব আউলিয়া পুরে অস্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে ভিকটিম (১৪) ও তার পরিবারকে জীবন নাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন দুই ভাই হাসান চৌকিদার (২৫) ও হোসেন চৌকিদার (২৮), এর বিরুদ্ধে।অভিযুক্ত হাসান, হোসেন একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলী আকবরের ছেলে।
এবিষয়ে ভিকটিমের মা-মোসাঃ নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ২৯-আগস্ট-২০২০ ইং তারিখ ২ জনকে আসামি ও অজ্ঞাতনাম রেখে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন ১. হাসান চৌকিদার (২৫) , ২. হোসেন চৌকিদার (২৮), আরও অজ্ঞাতনামা। যাহার-নং-৪৫, মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-(২০০৩-সংশোধনী) ৯ (৪), (খ), এবং তৎসহ প্যানেল কোর্টের ৫০৬ ধারায় রুজু হয়েছে।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত এস,আই ইব্রাহিম বলেন আমি ঘটনার সত্যতা পেলে সঠিক প্রতিবেদন দাখিলে আপোষহীন বলে জানান, তিনি বলেন, মামলার তদন্ত চলছে পাশাপাশি আসামীদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা রয়েছে।
মামলা সুত্রে, ভিকটিম (১৪) হচ্ছেন উপজেলার দক্ষিণ সেহাকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী।স্কুলের পথে যাওয়া আসার পথে ধর্ষন চেষ্টাকারী হাসান চৌকিদার তাকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্তপ্ত করতো।কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সুযোগ বুঝে ঘটনার দিন ২৩/০৭/২০২০ ইং তারিখ আনুমানিক রাত.৯.০০ টার সময় সুকৌশলে ঘরের দরজা খুলে রুমের ভিতর প্রবেশ করে এবং লাইট বন্ধ করে জোরপুর্বক ভিকটিম (১৪), কে ধর্ষনের চেষ্টা করে।তার ডাকচিৎকার শুনে ভাবি রিয়া মনি ও ভাই আল-আমিন মৃধা ছুটে আসলে ধর্ষন চেস্টা কারী হাসান চৌকিদার দৌড়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনা অনুসন্ধানে সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং এই জঘন্য অপরাধে জড়িত অপরাধীদের বিচার দাবি করেন।
এবিষয়ে মামলার বাদী, নাসিমা বেগম প্রতিবেদকে বলেন, ঘটনার দিন আমরা বাড়ি না থাকায় হাসান চৌকিদার পূর্বপরিকল্পিত ভাবে রাতে সুকৌশলে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে আমার মেয়েকে নষ্ট করার চেষ্টা করে।যাহা আমার ছেলে আল-আমিন ও ছেলের বউ রিয়ামনি নিজ চোখে দেখেছে।পরে আমরা বাড়িতে এসে ঘটনাটি তার বড় ভাই হোসেন চৌকিদারকে ডেকে জানালে অপরাধ স্বীকার করে হাসান এসময় মিমাংসার কথা বলে যায় পরবর্তীতে বাড়িতে বহিরাগত লোকজন নিয়ে এসে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ায় জন্য আমাদের পরিবারের সবাইকে অকত্ত ভাষায় গালাগালি করে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যায় আসামি হোসেন চৌকিদার।এছাড়াও এলাকার একটি কুচক্রী মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আসামিদের সহযোগিতা করছে তারা বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়।আমরা নীরাপহীনতায় রয়েছি থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ হোসেনকে আটক করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা দায়ের হয়। কিন্তুু আসামি হোসেন চৌকিদার জামিনে এসে আরও বেশি হুমকি দিচ্ছে এবং ৪০ হাজার টাকা তাদের দিতে হবে নইলে আসামিরা আমার স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।তিনি আরও বলেন, আমরা গরীব মানুষ আমাদের উপরে এত অত্যাচার করে আমরা মামলা করেছি বলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আইনের মাধ্যমে এই আত্যাচারের বিচার চাই বলে মিডিয়ার সামনে কেঁদে ফেললেন নাসিমা বেগম ও ভিকটিম (১৪).
এবিষয়ে মামলার আসামিদের বক্তব্য নিতে মিডিয়া বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার চেষ্টা করলে ও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


