অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া পূর্ণিমাকে যখন
ধর্ষণ করা হচ্ছিল, এত মানুষ দেখে
পূর্নিমার মা ধর্ষকদের বলছিলো “বাবারা,
আমার মেয়েটা ছোট তোমরা
একজন একজন করে এসো, ও মরে
যাবে।
‘আমাকে একফোটা পানি দাও,তাকে
বলা হল পানির বদলে শরীরের ঘাঁম
খা… ( মৃত্যুপথযাত্রী সিলেটের
রাজন।)
‘
আমি বাঁচতে চাই, আমি বাঁচতে চাই
যে-ভাবেই হোক আমাকে বাঁচাও।
আমার দুধের সন্তানটার কি হবে??
(রাজনীতির আগুনে দগ্ধা হয়ে
এভাবেই বাঁচার আকুতি চিৎকার করে
জানিয়েছিলেন মৃত্যু পথযাত্রী
গার্মেন্টস শ্রমিক শায়লা।)
‘
আমার সন্তান কে আমার বুকে
ফিরিয়ে দাও!! আমি আর কখনো
আসবোনা। তোমাদের পায়ে ধরি
আমাকে ছেড়ে দাও….. (অজ্ঞান
হওয়ার আগ পর্যন্ত হায়েনাদের পায়ে
ধরে এভাবেই
আকুতি জানিয়েছিল পহেলা বৈশাখে
টিএসসির মোড়ে লাঞ্চিত বোনটি।)
‘
ওরা আমাকে দুদিন আটকে রেখে
পালাক্রমে ধর্ষন করেছিল। হাতে
ধরেছি পায়ে ধরেছি কিন্তু আমাকে
তারা ছাড়েনি। বারবার আমি
জ্ঞান হারেয়েছি… (বুক ভরা হাহাকার
নিয়ে কেঁদে কেঁদে নালিশ
করছিলো মেডিকেল কলেজে
পড়তে
আসা কাশ্মীরের
ধর্ষিতা বোনটি।)
‘
অসভ্য ভারতীয়দের কাঁটাতারে দুদিন
ধরে ঝুলেছিল আমার বোন
“ফেলানী”। তাঁর আত্মচিৎকার এই
অসভ্য মানবতার দুয়ারে কষাঘাত
করেনি।
‘
আমাদেরকে জোর করে মৃত্যুর
দিকে ঠেলে দেয়া হলো। এ
অর্থলিপ্সু মালিকদের ঘৃণ্য রাজনীতির
বলি হলাম আমরা…. (রানা প্লাজার
শ্রমিকরা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এভাবেই
চিৎকার করেছিল।)
‘
ওদের দুজন পা ধরেছে, একজন চুল
আরো কয়েকজন……………
ভয়ে আমার শরীর নিথর হয়ে
এলো,
শত চেষ্টা করেও একটু চেঁচাতে
পারলাম না,পারলাম না নিজেকে বাঁচাতে!
বিসন্ন অন্ধকারে কালো মুখোশ!
পশুর শরীরের বিচ্ছিরি গন্ধ পালা
ক্রমে শেয়াল, কুকুর আর হায়নার
হুঙ্কার!
অসহায় হরিণির সর্বস্ব লোপাট। আমায়
বিবস্ত্র করা হল, টেনে হিচড়ে তুলে
নেয়া হল চুল। হায়নার বিষাক্ত দাঁতে
ক্ষত-বিক্ষত হল আমার শরীর। তনুর
কথা বলছিলাম আর কি,,,,,
‘
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রিশার কথা
আর কি বলব?
সুন্দরী হওয়া ই তার অপরাধ ছিল,
পেটের মাঝখান টায় ধারালো ছুরির
আঘাতে ভুরি টা বের হয়ে আসে, তিন
দিন মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে সে হেরে
যায়,,,,,
↼ ↼ ↼ ↼ ↼ না ভাই আমি আপনাকে
আইয়ামে জাহিলিয়াতের কোন রগ রগা কাহিনী বলতেছিনা। তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের বর্ণনা অনুযায়ী মধ্যযুগীয় কোন বর্বরতার কথা বলছিনা।
*বলছি আমি এ সভ্য দুনিয়ার কথা…
*বলছি আমি এ বাংলাদেশের কথা…
*বলছি আমার মায়ের হাহাকার এর কথা…
*বলছি আমার বোনের আত্মচিৎকার এর কথা…. ‘
‘
তনু হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় তার
ধারাবাহিকতায় রিশাকে খুন হতে
হয়েছে।
‘সেদিন তনু/ আজ রিশা/ কাল আমরা,
এভাবে আর কত?’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস।,
“রাষ্ট্রযন্ত্র যদি তনু-আফসানা- মিতুদের
হত্যার বিচার করত, তাহলে হয়ত
আমাদের কোমলমতি ছাত্রী এম সি
কলেজে খাদিজার রক্ত ঝরত না।”
‘
আমি আওয়ামীলীগ বুঝিনা বিএনপি বুঝিনা,
আমি আমার বোনের ইজ্জতের নিরাপত্তা চাই।
আমি গনতন্ত্র বুঝিনা রাজতন্ত্র বুঝিনা,
আমি আমার মায়ের ইজ্জতের প্রতিশোধ চাই।
আমি চাইনা এই নির্যাতিত মানুষগুলোর
রক্তের উপর দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হোক
আমার সোনার বাংলা। ‘
আমি একদল তরুনদের মাঝে থাকতে চাই,
যারা আমার বোনের দিকে লালায়িত জিহ্বা টেনে
ছিড়ে ফেলবে। যারা আমার বোনের দিকে তাকিয়ে থাকা
চক্ষু উপড়ে ফেলবে। যারা আমার বোনের ধর্ষন কারীদেরকে
জীবন্ত কবর দিবে।
বিদ্রঃ #বাংলার বুঁক থেকে কি আমরা এসব দুর করতে পারবনা!
আকিল বিন তালেব।
আইন বিভাগ, প্রথম বর্ষ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।


