সোহাগ মাহমুদ খান:
কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ১০ নং পান্টি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ভালুকা ডাকুয়া নদীর উপর বেলতলা নামক ঘাট’টি এখন রিতিমত মরন ফাঁদে পরিনিত হয়েছে | জীবনের ঝুকি নিয়ে এই ঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করে আসছে ৮ থেকে ১০ গ্রামের হাজার হাজার শিক্ষার্থী’সহ সাধারন মানুষ | এমনকি এই ঘাট দিয়ে পারাপার হওয়ার সময় ঐ এলাকার সাধারন মানুষ দুর্ঘটনার শিকারও হয়েছেন |
ঐ এলাকার কয়েক গ্রামের মানুষ মিলে প্রতি বছর বাঁশ কেটে চরাট বানিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে বছর কে বছর ধরে এই ঘাট দিয়ে চলাচল করে আসছে | এলাকাবাসী বলছে, এই বেলতলা ডাকুয়া নদীর ঘাট’টি এমন এক জায়গায় অবস্থিত যে ঘাট দিয়ে দিনে রাতে প্রতিনিয়ত তিন ইউনিয়নের মানুষ আসা যাওয়া করে | ওখানকার একজন কলেজ ছাত্র সাইমন জানান, এই ডাকুয়া নদীর অনেকগুলো ঘাটে ব্রীজ হয়েছে কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, ঐ ঘাট গুলোর তুলনায় বেলতলা ঘাট দিয়ে চারগুন বেশি মানুষ পারাপার হয়ে থাকে | এই ঘাটে সাধারন মানুষের এতটাই যাতায়াত যে ঘাটে নতুন চরাট দিলে বছরের ৪ মাস মোটামুটি চলে আর ৮ মাস জীবিনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হয় |
বেলতলা ঘাটের লন্ডভন্ড চরাটের উপর দিয়ে প্রতি মুহুর্তে সাধারন মানুষ তাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে | এই ব্যাপারে জানতে চাইলে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মান্নান মোল্লা বলেন, এই বেলতলা ঘাটের ওপারে বাগুলাট ইউনিয়নের ভরুয়াপাড়া, কালুপাড়া, নাতুরিয়া, শেখপাড়া ও এপারের চৌ্রঙ্গী, চরকেষ্টপুর, কেষ্টপুর, লক্ষীপুর ছাড়াও বিভিন্ন গ্রামের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী’সহ এসব এলাকার সাধারন মানুষ জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ | তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন মেয়াদের রাজৈনিক নেতারা বিভিন্ন সময়ে ব্রীজের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিশ্রতি দিয়ে আসছেন অথচ ব্রীজটি বাস্তবায়ন হচ্ছে না |এব্যাপারে আমাদের এলাকাবাসীর প্রানের ব্রীজটি বাস্তবায়নের দাবী নিয়ে খোকসা কুমারখালী-৪ আসনের মাননীয় সাংসদ সদস্য মহদ্বয়ের আশু দৃষ্টি কামনা করছে |


