মোঃ রাসেল হোসাইন বরগুনা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার সদর উপজেলা, পাথরঘাটা পদ্মা, বিষখালী নদীতে প্রবল জোয়ারের চাপে ১নং বদরখালী ইউনিয়নের মাঝেরচর, গুলিশাখালী, পাতাকাটা ,ফুলঝুড়ি বাজার, ও পুলিশ ক্যাম্প, ফুলঝুড়ি স্বাস্থ্য ক্লিনিক সহ বেঁড়িবাধ ভেঙ্গে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পরেছে এবং প্রায় অর্ধশতাধিক মৎস্যঘের পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এবং ব্যাপক ক্ষতি হয় পানের বরজের।
আজ শুক্রবার ২১ই আগস্ট বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি বাজার, পাতাকাটা মাঝেরচর গ্রামের বেড়িবাঁধের এমন চিত্র দেখা গেছে।
এ সময় দেখা যায়, বিষখালী নদীর পানি আমাবস্যার কারনে ভেড়ে যাওয়ায় নদীর পাশের বেড়িবাধের প্রায় ৩ কিলোমিটার ভেঙে নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। এ সময় পানি ডুকে মাছের ঘের ও বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। এতে ফুলঝুড়ি বাজার পুলিশ ক্যাম্প, পাতাকাটা, মাঝেরচর , ফুলতলা আবাসন, কুমরাখালি কাটাখালি এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
স্থানীয়রা জানান, বাধঁটি অনেক আগে থেকেই ঝুঁকিপুর্ণ ছিল। কিছুদিন ধরে পানি খুব বেড়ে গেছে, অমাবস্যার প্রভাব পরায় হঠাৎ আজ দুপুরের দিকে জোয়ারের পানির চাপে বেড়িবাঁধ ভেঙে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
এতে এই এলাকার কয়েকটি গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়েছে, তাছারা অনেক মৎস্য ঘের আমন ধানের বিজতলা পানিতে তলিয়ে যায়। এই বেঁড়িবাধটি দ্রুত সংস্কার করা না হলে আমাদেরকেও বিষখালী নদীর জোয়ারে পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরীফ ইলিয়াস আহমেদ স্বপন জানান, উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। যেভাবে পানির চাপ তাতে রাতের মধ্যেই কয়েক কিলোমিটার ভেঙ্গে যাবে। ইতিম্যেই বেশকিছু বাধ ভেঙ্গে পানি ডুকছে।
এবিষয়ে পানিউন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, অতিবৃস্টি, অমাবস্যর প্রভাব ও লগুচপের বাতাসের কারনে হঠাৎ পানি ভেড়ে গেছে তাই এই ভাঙ্গন হয়েছে


